রাজধানীতে রাস্তার উপর চলন্ত গাড়ি থামিয়ে যত্রতত্র রাস্তা পারাপারের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। মঙ্গলবার সকালেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ডিএমপি’র নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে এ অভিযান শুরু হয়।

যত্রযত্র রাস্তা পারাপার বন্ধ এবং ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষেই এ অভিযান বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা।

ঢাকা মহানগর ট্রাফিকের দক্ষিণের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) খান মোহাম্মদ রেদওয়ান জানান, ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধিই ট্রাফিকের প্রধান লক্ষ্য। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করা হয়েছে।

এরপরেও যারা নির্দেশনা অমান্য করে যত্রতত্র রাস্তা পারহবার চেষ্টা করবেন তাদের আইনের আওতায় ‍আনা হচ্ছে। এজন্য বসানো হয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

উল্লেখ্য, নগর জীবনে ঝুঁকি কমাতে ফুটওভার ব্রিজ, আন্ডারপাস ও ফুটপাত ব্যবহারের জন্য ২২ নভেম্বর সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন শুরু করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এ উপলক্ষে ২২ নভেম্বর দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ বলেন, আইন অমান্য করে কোনো পথচারী রাস্তা পারাপার হলে তার বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৬ মাসের জেলও দেওয়া হতে পারে।

তিনি বলেন, হোটেল রূপসী বাংলা মোড় থেকে ফার্মগেট পুলিশ বক্স পর্যন্ত সচেতনতামূলক ক্যাস্পেইন চালানো হবে। তিনদিনের ক্যাম্পেইন শেষে ২৫ নভেম্বর থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

এরপরও কোনো পথচারী আইন অমান্য করেন এবং তা অভিযানে ধরা পড়ে তার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন।

অপরদিকে গত শুক্রবার রাতে উল্টোপথে গাড়ি চলাচল রোধে ডিএমপি সদর দফতরের সামনে স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল প্রতিরোধক স্থাপন করে পুলিশ।

জেইউ/ইআর