নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। সে স্থানীয় একটি বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।
তবে স্কুলছাত্রীকে পেটানোর অভিযোগ অস্বীকার করে চরবাটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মুজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।’
ওই ছাত্রীর বাবা বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাড়ির আরেক পক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অভিযোগ করলে তিনি (চেয়ারম্যান) গত সোমবার রাতে সালিস বৈঠক ডাকেন। রাত নয়টার দিকে তিনি তাঁর স্ত্রী ও শ্যালিকাকে নিয়ে ইউপি কার্যালয়ে যান। কার্যালয়ে ঢুকতেই চেয়ারম্যান তেড়ে এসে তাঁদের এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকেন ও জানতে চান তাঁর মেয়েকে কেন আনেননি। এ সময় চেয়ারম্যান চৌকিদার পাঠিয়ে তাঁর মেয়েকে বাড়ি থেকে কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। কার্যালয়ে আনামাত্র চেয়ারম্যান লাঠি দিয়ে তাঁর মেয়েকে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকেন। চেয়ারম্যানের পিটুনিতে একপর্যায়ে তাঁর মেয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এ সময় তাঁর মেয়েকে হাসপাতালে নিতে চাইলে চেয়ারম্যানের লোকজন বাধা দেন। পরে চেয়ারম্যান চলে গেলে তিনি মেয়েকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় থানায় মামলা না করতে তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।
সুবর্ণচরের চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, তিনি বিষয়টি জানেন না। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হারুন অর রশিদ বলেন, সকাল থেকে তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠকে ছিলেন। ঘটনাটি তাঁকে কেউ জানাননি। এ বিষয়ে তিনি খোঁজ নেবেন।
এম এ





