অমাবস্যার প্রভাবে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি ও বৃষ্টির কারণে জোয়ারের পানিতে চরফ্যাশনের উপকূলীয় এলাকার নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অর্ধলক্ষাধিক মানুষ।
জলমগ্ন এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হতে চলছে কৃষকের ফসলি জমি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত শুক্রবার থেকে সোমবার এ রির্পোট লেখা পযর্ন্ত চরফ্যাশনের বৃষ্টি ও নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এতে তলিয়ে গেছে উপজেলার আসলামপুর, হাজারীগঞ্জ, জাহানপুর,মুজিবনগর, নজরুল নগর,চর কলমী, কুকরী-মুকরী, ঢালচর, চর পাতিলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্মাঞ্চল।
কুকরী মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান ও চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হাসেম মহাজন বলেন,কুকরী মুকরী ইউনিয়নের নিচু অধিকাংশ এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। অমাবস্যা ও কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে ঝড়ো বাতাস বইছে, এতে করে প্রবল জোয়ারে কুকরী-মুকরীর বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন জানান, চরফ্যাশন উপজেলার বেশ কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এছারাও বাঁধের বাহির এলাকায় পানি ঢুকলেও ভাটা এলে পানি সরে যাবে। এদিকে, সোমবার সকাল থেকে উপজেলা জুড়ে কখনও ঝড়ো বাতাস, কখনও ভারীবর্ষণ হচ্ছে। এতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নদী মোহনা। দুর্ঘটনার আশঙ্কা জেলে নৌকা ও ট্রলারগুলো তীরের কাছাকাছি এসে অবস্থান করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করেও নদীতে মাছ শিকার করছে।
শাহীন/ভোলা





