ভারত থেকে জ্বালানি তেল ডিজেল আমদানিরও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ২০১৭ সালের মধ্যে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানির কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
বুধবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে ডিটেইলড ফিজিবিলিটি স্টাডি (ডিএফএস) প্রস্তুতের জন্য টার্ম অব রেফারেন্স (টিওআর) এরই মধ্যে ২ দেশের মধ্যে অনুমোদিত হয়েছে।আশা করা যায়, ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে এটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ সহযোগিতার বিষয়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়।
দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম আন্তঃদেশীয় গ্রিড লাইন স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের ভেড়ামারা ও ভারতের বহরমপুরের মধ্যে। যে লাইন দিয়ে গত বছরের অক্টোবর থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছে বাংলাদেশে।
জ্বালানি আমদানি নিয়ে আওয়ামী লীগের নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, জ্বালানির চাহিদা পূরণে ২০১৪ সালের জন্য আবুধাবি ও সৌদি আরব থেকে ১৩ লাখ মে. টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর জন্য বাংলাদেশে আনুমানিক ৯ হাজার ৭৬৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে বলেও জানান নসরুল হামিদ।
কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে স্বতন্ত্র সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা বর্তমানে কয়লা রপ্তানি করে। কোন দেশ থেকে কয়লা আমদানি করা হবে তা সোর্সিং এর কাজ চলমান আছে।
ঢাকা, ২৫ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





