ঈদুল আজহার আগে উত্থান দিয়ে শেষ হলো পুঁজিবাজারের লেনদেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৬০১ পয়েন্টে উঠে এসেছে। যা গত সাড়ে ৭ মাস বা চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ। গতকাল নিয়ে টানা সাত কর্মদিবস পুঁজিবাজারের সূচক বাড়লো। সাত কার্যদিবসের উত্থানে সূচক বেড়েছে ৭৭ পয়েন্ট।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে এক ধরনের উত্থান ও পতনের ধারাবাহিকতা রয়েছে। যে অনুযায়ী বছরের এ সময়ে বাজার উত্থানমুখী হয়। আর বর্তমানে বাজারে কোম্পানিগুলোর আয় বিবেচনায় সূচক তুলনামূলক কমই রয়েছে। তাই টানা সূচক বাড়লেও তাতে উদ্বেগের কিছু নেই।

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২১টির, কমেছে ১৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৮টির শেয়ার দর। বৃহস্পতিবার ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১০৮ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৭৫৯ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে ৪৮০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে; যা আগের দিনের তুলনায় ১৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা কম।

আগেরদিন ডিএসইতে ৪৯৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩২ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাহজিবাজার পাওয়ারের ১৯ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৮ কোটি ৩১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। সিএসইত ২৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগেরদিন ২৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ছিল। সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ১৪৮ পয়েন্টে। সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৬১২ পয়েন্টে।

এসএ