প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক–এর প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন আমানতকারীরা। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং আমানতের অর্থ দ্রুত ফেরতের দাবি জানান। পরে বিক্ষোভকারীরা শাপলা চত্বরের প্রধান সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে তাদের সরিয়ে দেয়।

আন্দোলনকারীরা জানান, একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের আমানতের অর্থ তুলতে পারছেন না। ব্যাংকগুলো হলো ইউনিয়ন ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক। এসব ব্যাংক একীভূত করে একটি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আমানতকারীরা বলেন, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের আমানতের ওপর মাত্র ৪ শতাংশ করে মুনাফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ‘হেয়ার কাট’ হিসেবে পরিচিত। তাদের দাবি, এ সিদ্ধান্তের ফলে আমানতকারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাবেক গভর্নরের নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অমানবিক ও অন্যায্য। অনেক আমানতকারী এখনো তাদের মূলধন ও মুনাফার অর্থ তুলতে পারছেন না। ফলে অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে।

আন্দোলনকারীরা ‘হেয়ার কাট’ সিদ্ধান্ত বাতিল করে মুনাফাসহ পুরো আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া এবং ব্যাংকগুলোর স্বাভাবিক লেনদেন চালুর দাবি জানান। দাবি মানা না হলে আগামী ১২ মার্চ আবারও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তারা।

এস