চীন থেকে কঠিন শর্তে দেড়শ কোটি ডলারেরও বেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার। ‘চাইনিজ ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক’ থেকে এ ঋণ নেওয়া হবে। বড় পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ঘোড়াশাল ২৭৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়ন এবং জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যয় মেটানোসহ চারটি খাতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

বুধবার সচিবালয়ে হার্ড-টার্ম লোন কমিটি’র এক বৈঠকে এ ঋণের অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. আসলাম আলম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মোঃ মেজবাহ উদ্দিন ও গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বা জরুরি কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে কিংবা জ্বালানি ব্যয় মেটাতে সাধারণত এ ধরনের ঋণ নেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংক কিংবা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে সফট লোন না পাওয়ায় এ ঋণ নিচ্ছে সরকার।

এ ধরনের ঋণে বছরে ৬ শতাংশেরও বেশি সুদ দিতে হয়। অন্যদিকে সফট লোনের সুদের হার ১ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ হয়ে থাকে।

সূত্র জানায়, বৈঠকে ঋণের অর্থে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) পক্ষ থেকে চারটি দেশ থেকে মোট ৯০ কোটি ডলারের জ্বালানি তেল ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে মালয়েশিয়ার পেটকো থেকে ৩০ কোটি ডলার, পেট্রো-চায়না থেকে ২৫ কোটি ডলার, ফিলিপাইনের পিনোক-ইসি থেকে ২০ কোটি ডলার ও সিঙ্গাপুরের ইউনিপি থেকে ১৫ কোটি ডলারের জ্বালানি তেল ক্রয় করা হবে।

ঢাকা, ১৩ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর