গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে জুন ক্লোজিং উপলক্ষে মৎস্য অফিসের বিভিন্ন প্রকল্পের ভুয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে ১০ লক্ষাধিক টাকা হরিলুট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

তথ্য সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পশ্চাদপদ মানুষের জীবিকা নির্বাহ প্রকল্প ও এফসিডিআই প্রকল্পের বন্যা নিয়ন্ত্রন ও সেচ প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে ১০ লক্ষাধিক টাকা বরাদ্দ পায়।

বরাদ্দ অনুযায়ী উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের সাগড় দিঘীর পুকুর খনন কাজে ৪ লক্ষ টাকা, ধাপেরহাট ইউনিয়নের সদরপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের পুকুর খননের জন্য ৩ লক্ষ টাকা, ভাতগ্রাম ইউনিয়নের রেজাউলের পুকুর খনন বাবদ সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে কাজ শুরু করে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। আর এই কাজের তদারকীর দায়িত্ব পায় উপজেলা মৎস্য অফিসার আমিনুল ইসলাম।

এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রকল্প চেয়ারম্যানেরা যত সামান্য কাজ করে শুধু নামমাত্র ঘাস তুলে সামান্য একটু মাটি কেটে ভরাট করেছে। কাজ দেখানোর জন্য প্রকল্প চেয়ারম্যানেরা উপজেলা মৎস্য অফিসার ও জেলা ইঞ্জিনিয়ারকে ম্যানেজ করে সামান্য কাজ করেছে।

এছাড়া ভাতগ্রাম ইউনিয়নের সাগড় দিঘী পুকুর খননে এবং ধাপেরহাট সদরপাড়া গুচ্ছ গ্রামে পুকুর খননে লোক দেখানো কাজ ছাড়া কোন কাজ হয়নি।

এ বিষয়ে মৎস্য বিভাগের জেলা ইঞ্জিনিয়ার শাহজাহানের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন, কাজ ভাল হওয়ায় তাদের সকল বিল দেওয়া হয়েছে।

সাদুল্যাপুর উপজেলা মৎস্য অফিসার আমিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কাজ করলে কমবেশী ত্র“টি হতেই পারে। তবে বরাদ্ধকৃত কোন টাকা হরিলুট হওয়ার প্রশ্নই আসেনা।

এসএইচ