আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।

আজ (২১ মার্চ) শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটের দিকে রাজধানীর সিটি কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ধানমণ্ডি সুধাসদনের বাসার ঠিকানায় ভোটার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে হিসেবে তার ভোট কেন্দ্র ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্র।

এর আগে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি এবং ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনেও ওই কেন্দ্রে ভোট দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। এছাড়া ঢাকা সিটি নির্বাচনেও ওই কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন তিনি।

ঢাকা-১০ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম।

সিটি নির্বাচনে অংশ নিতে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস পদত্যাগ করায় ঢাকা-১০ আসনটি গত ২৯ ডিসেম্বর শূন্য ঘোষণা করা হয়। রাজধানীর ধানমণ্ডি, নিউমার্কেট, কলাবাগান, শেরেবাংলা ও লালবাগ থানা এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন।

তারা হলেন- আওয়ামী লীগের শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিএনপির শেখ রবিউল আলম, জাতীয় পার্টির হাজী মো. শাহজাহান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের কাজী মুহাম্মদ আবদুর রহিম, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের মিজানুর রহমান।

এই আসনে ভোটার ৩ লাখ ২১ হাজার ২৭৫ জন, ভোটকেন্দ্র ১১৭টি ও ভোটকক্ষ ৭৭৬টি। এ আসনটিতে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটকেন্দ্রের ঝুঁকি বিবেচনায় পুলিশ ও আনসারের ১৪-১৬ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনী এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। থাকবে র‌্যাবের টিমও।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকায় আমরা বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রতিটি ভোটকক্ষে জীবাণুনাশক ও টিস্যু রাখা হবে। ভোটারদের হাত ধুয়ে ভোট দিতে এবং ভোট দেয়ার পর আবারও হাত ধোয়ার অনুরোধ জানিয়ে ব্যানার টানানো হয়েছে।

যদিও গতকাল (২০ মার্চ) সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতান বলেছেন, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করায় করোনা হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কেননা ফিঙ্গারপ্রিন্টযুক্ত ইভিএমে ভোটদান থেকে করোনা ছড়ানোর ঝুঁকি আছে।

এমবি