সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’র সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান বলেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো সম্ভাবনা দেখেন না। তাই দেশে সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে জনগণকে সোচ্চার করে তুলতে হবে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন ফেরাতে যত বেশি প্রয়োজন, আন্দোলন চালাতে হবে।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কাকরাইলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমার একটি মিলনায়তনে আয়োজিত সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’র সপ্তম জাতীয় সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।
এ সময় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু হেনা, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান, সুজনের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক সংস্কারে ২০ দফা প্রস্তাব তুলে ধরে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত, আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে মাঠে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা বদলের একমাত্র উপায় হচ্ছে নির্বাচন। গণতন্ত্র সমুন্নত রাখার এটিই মূল ভিত্তি। অথচ দেশে নির্বাচনী ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। মানুষ নির্বাচন থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশের সামনে ভয়াবহ বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে সবাই মিলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু হেনা বলেন, নানা দিক থেকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে, এটা উৎসাহব্যঞ্জক। একই সঙ্গে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিয়ে উদ্বেগ আছে। নির্বাচনী ব্যবস্থায় অনেক সংস্কার করেও লক্ষ্য অর্জন করা যায়নি।
সংস্কারের যথাযথ বাস্তবায়ন ও সমভাবে আইনের প্রয়োগ না হলে সংস্কার করে কিছু হবে না। নির্বাচন ও দুর্নীতি দুটো বিষয় নিয়েই কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এমবি





