রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ব্লাড ব্যাংক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়নের একটি ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় এর সাথে জড়িত তিনজনকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে র্যাব-২ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে এ অভিযান চালায়। এ সময় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক মামুনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের সেবিকা ব্লাড ব্যাংক এবং সন্ধি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের বিভিন্ন অপরাধে সাজা প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, সেবিকা ব্লাড ব্যাংকে অননুমোদিত ব্লাড জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। ব্লাড সংরক্ষন করার জন্য ব্লাড প্রিজারভিশন রিফ্রেজারেটর ব্যবহার করা অত্যাবশ্যক যার তাপমাত্রা ২ ডিগ্রী থেকে ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর মধ্যে রাখা হয় অথচ প্রতিষ্ঠানটি ঘরের কাজে ব্যবহৃত সাধারণ ফ্রিজ ব্যবহার করে, যা রক্ত সংরক্ষন করার জন্য উপযোগী নয়।
এ ছাড়াও ব্লাড ব্যাংকের ভিতরে নোংরা পরিবেশ এবং ব্লাড ব্যাগে সোর্স ও ডোনারের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকার অপরাধে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত হাসানুর রহমানকে (২১) দশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদন্ড এবং মেডিক্যাল প্রাকটিস এন্ড বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরী আইনে মিজানুর রহমানকে (২৯) পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
অপরদিকে সন্ধি ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারে অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অপারেশন থিয়েটার মানসম্মত না হওয়া, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, ডিপ্লোমা নার্স, মেডিকেল বোর্ড না থাকায় এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত মোঃ আলমগীরকে (২৯), ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইনে বিশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
এমআর





