বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিঘি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ দেশি-বিদেশি কূটনীতিক ও অ্যাভিয়েশন খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তির আওতায় বিমান কিনবে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০, ২টি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ। এর মাধ্যমে বিমান বিশ্বের অল্প কয়েকটি এয়ারলাইন্সের কাতারে যুক্ত হবে, যারা ৭৮৭ ড্রিমলাইনার সিরিজের সব ভ্যারিয়েন্ট পরিচালনা করে।
প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বলেন, “এটি শুধু একটি বাণিজ্যিক চুক্তি নয়, বরং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের নতুন সেতুবন্ধন।” অন্যদিকে পল রিঘি একে বাংলাদেশের বিমান চলাচলের ইতিহাসে “যুগান্তকারী মুহূর্ত” হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
নতুন উড়োজাহাজগুলো জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত দক্ষ হবে এবং যাত্রীদের জন্য উন্নত কেবিন সুবিধা নিশ্চিত করবে। ড্রিমলাইনারগুলো ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘ রুটে এবং ৭৩৭ ম্যাক্স আঞ্চলিক রুটে ব্যবহৃত হবে।
জানা গেছে, এই উড়োজাহাজগুলোর মূল্য ১০ থেকে ২০ বছর মেয়াদি কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। তবে নতুন উড়োজাহাজের প্রথম ডেলিভারি পেতে ২০৩১ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, ফলে স্বল্পমেয়াদে বহরের সংকট কাটছে না।
এই চুক্তির মাধ্যমে বিমান তার বহর আধুনিকীকরণ, রুট সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান এভিয়েশন হাব হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।
এমএম