দিনাজপুরের বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে দিনে দিনে নারী শ্রমিকের চাহিদা বাড়ছে। নিজের জীবন জীবিকার তাগিদে সকল সংশয় উপেক্ষা করে কাজ করছেন এসব নারী শ্রমিক। কিন্তু বৃদ্ধি হয়নি তাদের ন্যায্য মজুরি। ফলে প্রতিনিয়তই নারীরা মুজুরী বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

বর্তমানে জেলার কাহারোল, বিরল, চিরিরবন্দর, খানসামাসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীরা রাস্তা ঘাট মেরামত, আবাসন, কৃষিসহ বিভিন্ন কাজ করে তাদের জীবিকা অর্জন করছে। আবার নারী শ্রমিকদের কম মূল্য কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য ব্যাপক চাহিদাও মালিক পক্ষের।

খানসামা এলাকার মিল চাটালের কাজ করা এক নারী শ্রমিকের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারা দিন কাজ করে আমরা মুজুরি পাই ১৫০-১৮০ টাকা আর পুরুষ শ্রমিকরা একই কাজ করে পায় ২৫০-৩০০ টাকা। কিছু কিছু ক্ষত্রে নারীরা পুরুষের সাথে চুক্তিবদ্ধভাবে কাজ করেও পাচ্ছেনা সমান মুজুরি।

বীরগঞ্জের গোলাপগঞ্জ এলাকার ইট ভাটায় কাজ করা কিছু নারী শ্রমিকও এক কথা জানালেন।

আবার অনেক সময় শুনা যায়, নারীরা কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন ভাবে মালিক পক্ষের কাছথেকে নির্যাতিত হচ্ছে। লোক লজ্জার কথা ভেবে ও কাজ হারানোর ভয়ে তারা তাদের নির্যাতনের কথা প্রকাশ করছে না।

বিশিষ্টজনদের অভিমত, বর্তমানে কাজের জন্য নারী শ্রমিদের চাহিদা ব্যাপক, পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি নারী শ্রমিকদরকেও যখন তখন পাওয়া যাচ্ছে না। কাজ করাতে চাইলেও বেশ কয়েক দিন আগ থেকেই শ্রমিকদের বলে রাখত হচ্ছে। কিন্তু নারীরা বরাবরই হচ্ছে মুজুরি বৈষম্যের শিকার। সরকারি তৎপরতায় এধরনের মুজুরি বৈষম্য রোধ করা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।

এমআইএস