৩৫তম বিসিএসে ২ হাজার ১৫৮ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বুধবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘আমরা ৩৫তম বিসিএসের মাধ্যমে ২ হাজার ১৫৮ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করেছি। ফল পিএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে(www.bpsc.gov.bd)।’
গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৩ মার্চ এবং ৬ থেকে ২১ মার্চ ৩৫তম বিসিএসের উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা হয়। গত ১৩ জানুয়ারি ৩৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ছয় হাজার ৮৮ জন উত্তীর্ণ হন।
গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর ৩৫তম বিসিএসের সাধারণ ও কারিগরি ক্যাডারের আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হয়, শেষ হয় ৭ সেপ্টেম্বর। আর পদ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা হয় ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয় গত বছরের ৬ মার্চ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ৩৫তম বিসিএস থেকেই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১০০ নম্বরের পরিবর্তে ২০০ নম্বর ও সময় এক ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে দুই ঘণ্টা করা হয়।
প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশিত হয় ওই বছরের ৮ এপ্রিল। এতে উত্তীর্ণ হন ২০ হাজার ৩৯১ জন। এর মধ্যে ৪১৯ জনের প্রার্থিতা বিভিন্ন কারণে বাতিল করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কমিশন।
সরকারি চাকরি পেতে ৩৫তম বিসিএসে দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন প্রার্থী আবেদন করেন।
এটাই বিসিএসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী। ৩৫তম বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৮০৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল পিএসসি।
এমএনজে





