শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। সংঘর্ষের জেরে শনিবার সকাল থেকে শেরপুর-ঝিনাইগাতী সড়ক অবরোধ করে  ১০ টি গাড়ি ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধরা।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাতে সংঘর্ষ হয় দুই গ্রুপের। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এসএমএ ওয়ারেজ নাঈমসহ পাঁচজন আহত হন।

রাত থেকেই শেরপুর-ঝিনাইগাতী এবং নালিতাবাড়ী সড়কে নাঈম সমর্থকরা হামলাকারীদের বিচার ও গ্রেফতারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করে। শনিবার সকালেও শেরপুর-ঝিনাইগাতী সড়কের জুলগাঁও, কোয়ারী রোড, তেঁতুলতলা বাজার, আহম্মদনগর ও ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরে সড়ক অবরোধ করে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।

বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মী এবং নাঈমের এলাকার লোকজন হামলাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে রাস্তার ওপর গাছ গুড়ি, সিমেন্টের পিলার ফেলে যানচলাচল বন্ধ রাখে।

ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোর্শেদ জানান, অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক চলছে। 

গত ৩০ এপ্রিল উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে এসএসএ ওয়ারেজ নাঈমকে আহবায়ক ও আমিরুজ্জামান লেবুকে যুগ্ম আহবায়ক করে ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করে জেলা আওয়ামী লীগ। এ কমিটিতে শেরপুর ৩ আসনের এমপি সমর্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, সাংগনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেনসহ তিন নেতাকে কমিটি থেকে বাদ দিয়ে সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে শোকজ করা হয়। এরমধ্যে বর্তমান আহবায়ক কমিটি ইউনিয়ন সম্মেলন করে আগামী ৪ ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন নির্ধারণ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।

জেআই