উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা গুলোতে এখনো পরিকল্পিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী এ ইউনিয়নে আন্ত উপজেলা সংযোগ যাতায়াতের উন্নয়ন সাধিত হয়েছে উলেখ যোগ্য ভাবে। তবে গ্রামীন রাস্তা, পথ, ছড়ার উপর কালভার্ট নির্মান ইত্যাদি পরিকল্পিত ভাবে উন্নয়ন সাধিত না হওয়ায় গ্রামবাসীদের দূর্ভোগ মাথায় নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে।
বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী উখিয়া উপকূলীয় জালিয়া পালং ইউনিয়নের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ কিলোমিটার। উখিয়ার রেজু খাল থেকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর সীমানা উখিয়ার মনখালী খাল পর্যন্ত জালিয়া পালং ইউনিয়নের অবস্থান। ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর উখিয়ার ভালুকিয়া-সোনারপাড়া-ইনানী-মনখালী পর্যন্ত সী-বিচ সড়কের দীর্ঘ ৩৭ কিলোমিটার ফিডার রোড নির্মান করেছে।
যেটি আন্তঃ উপজেলা ও ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক হিসেবে পরিচিত। এ ইউনিয়নের রেজু খাল থেকে মনখালী পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ রোড নির্মান কাজ সম্পন্নের পথে এটি কক্সবাজারের কলাতলী থেকে উখিয়ার ইনানী হয়ে টেকনাফ সদর পর্যন্ত নির্মানের প্রক্রিয়া বাস্তবায়নাধীন। এ সড়ককে
কেন্দ্র করে উভয় পাশে সাধিত হচ্ছে ব্যক্তি ও বেসরকারী অবকাঠামো উন্নয়ন যজ্ঞ। তবে এত দৃশ্যনীয় উন্নয়ন সাধিত হলেও বরাবরের ন্যায় বাতির নিচে অন্ধকার থেকে যাচ্ছে বলে স্থানী গ্রামবাসীদের অভিযোগ।
জালিয়া পালং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসাইন চৌধুরী জানান, গত মেয়াদে তার আমলে অবহেলিত এ ইউনিয়নের গুরুত্ব পূর্ণ গ্রামীন পথ, ঘাট, রাস্তা ও অন্যান্য ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করা হয়েছে। তবুও সরকারী বরাদ্দের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক জন গুরুত্বপর্ণ উন্নয়ন ইচ্ছা থাকলেও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
এ ইউনিয়নের সোনাইছড়ি গ্রামের ডাকুয়ার প্যারা এলাকার আক্তার মিয়াসহ অনেকে জানান, রেজু খাল পাড় সংলগ্ন পূর্ব-পশ্চিম সোনাইছড়ি, পূর্ব সোনার পাড়া, বাদামতলীসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন দীর্ঘ দিন ধরে নিজ উদ্যেগে গ্রামীণ পথ-ঘাট মেরামত, সংস্কার করে যাতায়াত করে আসছে। শুষ্ক মৌসুমে কোন রকমে চলাচল করা গেলেও বর্ষা কালে এসব পথ ঘাটের বেহাল অবস্থা হয়।
কালভার্টসহ অন্যান্য সংস্কার না হওয়ায় এসময় ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল যাতায়াত প্রায় বন্ধ থাকে। জালিয়া পালং ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এপর্যন্ত মেম্বারদের নিয়ে এলাকার জনগুরুত্ব পূর্ণ রাস্তাঘাট সংস্কার নির্মান ও কালভার্ট, পুল নির্মানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারী বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে এসব উন্নয়ন প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করা হবে।
মানিক/নাজিব





