অবশেষে সাতষট্টি বছর বয়সে জীবনসঙ্গী হিসেবে হনুফা আক্তার রিক্তাকে কবুল করলেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায়  কুমিল্লার চান্দিনার কংগাই গ্রামে রিক্তার বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারা হয়।

কাজী সিদ্দিকুর রহমান মন্ত্রীর বিয়ে পড়ান। মন্ত্রীর ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত হাসেম চৌধুরী উকিল বাবার দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিব-রিক্তার বিয়ের সাক্ষী ছিলেন- কিবরিয়া মজুমদার, খোকন রেজা ও ফজলুল করিম। এদের মধ্যে কিবরিয়া বর এবং অন্য দুজন কনে পক্ষের।

এর আগে বিকাল ৩টার দিকে প্রায় সাতশ বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে পৌঁছান বর।

তাকে অভ্যর্থনা জানাতে আগেই প্রস্তুত ছিল সব। জামাইয়ের কয়েকজন শ্যালিকাকেও দেখা গিয়েছে গেইটে বরকে স্বাগত জানানোর আয়োজনে।

মন্ত্রীর বিয়ে বলে কথা। এলাহীকাণ্ড না হলেও অতিথিদের জন্য বিশাল আয়োজন বললে কোনো অংশেই অত্যুক্তি হবে না। আয়োজন চলে কয়েকদিন ধরে। শুধু বরযাত্রীদের আপ্যায়নের জন্যই নিয়োগ করা হয় ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক। সবাই কন্যার নিটক আত্মীয়।

বরপক্ষের ৭০০ এবং কনেপক্ষের প্রায় ১৫ শ’ অতিথিকে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও সে সংখ্যা পাঁচ হাজারের কম হবে না।

দুপুরের খাবারের তালিকায় ছিল খাসির কাচ্চি, মুরগীর রোস্ট, কোমল পানীয়, মিস্টান্ন, জর্দা এবং বোরহানী।

আর জামাই মুজিবুল হকের জন্য করা হয় বিশেষ খাবার। অন্য আয়োজনের পাশাপাশি করা হয় ১৬ কেজি ওজনের আস্ত খাসির রোস্ট।

বিশাল আকারের ডিসে জামাইয়ের খাবার পরিবেশন করা হয় বেশ আয়োজন করে। চারপাশে ১০টি ইলিশ মাছ, ১০টি আস্ত মুরগীর রোস্ট এবং মাঝে ১৬ কেজি ওজনের খাসির রোস্ট। নানান পদের খাবার ও মিষ্টিও রয়েছে সেখানে।

জেআই