এসময় গুলিতে সামন্য আহত হয়েছেন রানা নামে আরো একজন।
পথচারীরা মানিককে হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যান। ঘটনার পরপরই কোতোয়ালী থানা এবং সিআইডির একটি টিম ঘটনাস্থলের পৌছে অনুসন্ধ্যান চালাচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসা নিহত মানিকের কিশোর ভাতিজা ইমন জানায়, গতরাতে কোতোয়ালী থানার সদরঘাট সাতপাড়া এলাকায় যুবলীগ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। নিহত মানিক এবং হানিফ গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল বলে জানায় ইমন।
এর জের ধরে হানিফ গ্রুপের কিরণ, সুজন, জাহাঙ্গীর, বুশ এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানান নিহত মানিকের পরিবার।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন জানান, গুলিবিদ্ধ একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাকে কারা গুলি করেছে তা আমরা খবর নিচ্ছি। তবে সামান্য আহত রানা নামে একজন থানায় আছেন। তাকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনা জানার চেষ্টা করছি।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জহিরুল ইসলাম জানান, কোতোয়ালী থানার সামনে থেকে মানিক নামে এক যুবককে গুলিবিদ্ধবস্থায় আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।





