মাদকের সাথে সংস্লিষ্টতা রয়েছে এমন কাউকে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। তাদেরকে আইনের আওতায় এনে যথাযোগ্য শাস্তি প্রদান করা হবে। এমনটিই বলছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের আয়োজিত "মাদকের ব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস" উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, মাদকের সাথে জড়িত কাউকে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। সকলকে মাদক বিরোধী আইন মেনে চলতে হবে।
মাদক নিরাময় কেন্দ্রের আসন বুদ্ধি সম্পর্কে প্রতি মন্ত্রি বলেন, কেন্দ্রিয় মাদক নিরাময় কেন্দ্রে বর্তমানে ৫০টি আসন রয়েছে। সেটিকে বৃদ্ধি করে দু'শ আসনে উত্তির্ন করা হবে।
উক্ত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপ কালে নায়েক রাজ্জাক সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী বলেন, আমি সব সময় দৃঢ়তার সাথে বলেছি যে নাযেক রাজ্জাকে ফিরিয়ে আনা হবে। অবশেষে আমরা তাকে নিঃশর্ত ভাবে ফিরিয়ে এনেছি।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে মায়ানমার থেকে প্রচুর পরিমানে ইয়াবা আমাদের দেশে পাচার হয়। তারা সিমান্তে কোন এক নৌকার মাধ্যে ইয়াবা রেখে যায় এবং পরে এপাশ থেকে কিছু লোক সেগুলো নিয়ে আসে। ওই দিন তেমনই একটি নৌকা তল্লাসীর সময় বিজিবি এবং বিজিপি উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এক পর্যায়ে তারা আমাদের বিজিবি নায়েক আদ্বুর রাজ্জাককে নিয়ে যায়।
মায়ানমার সীমান্তে কোন ইয়াবা কারখানার সন্ধান পেয়েছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সদুত্তর না দিতে পারলেও তিনি বলেন, সীমান্তে আমাদের বিজিবি এবং কোস্ট গার্ড অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করছে। এর মধ্য দিয়ে যে ইয়াবা গুলো আসে সেগুলো নিতান্তই আমাদের চোখকে ফাকিঁ দিয়ে মাঝে মাঝে ঢুকে যায়। একটা নিয়মিত প্রক্রিয়ায় আমরা এগুলোকে নিয়ন্ত্রন করে চলেছি।
একজন সংসদ সদস্যের ইয়াবার সাথে জড়িত থাকার ব্যাপারে তিনি বলেন, সংসদ সদস্যের নাম যেভাবে আসছে এতে যদি কোন প্রকার প্রমাণ পায়, আমরা কাউকে ছাড় দিব না। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলছে। এর আগেও একবার ওই সাংসদ অভিযুক্ত হয়েছিলেন এবং কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন। এটাতো আইনের প্রক্রিয়া। আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না।
এমআর





