শেরপুর সদর উপজেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নে বিজয় দিবসের মঞ্চে আগুন দিয়েছেন দুর্বৃত্তরা। এতে অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন বলেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি এ্যাডভোকেট আলমগীর কিবরিয়া কামরুল বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের  উদ্যোগ নেন। তার উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছিল বাদাপাড়া গ্রামের তরুণ সমাজ। স্থানীয় পাকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এর মঞ্চ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আফজাল হোসেনকে প্রধান অতিথি ও পাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনারুল ইসলামকে সভাপতি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

১৫ ডিসেম্বর রাত ২টা পর্যন্ত ওই অনুষ্ঠানের মঞ্চ তৈরির কাজ শেষ করে আয়োজকেরা বাড়ি চলে যান। তারপর ভোর ৫টার দিকে কে বা কারা ওই মঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেয়ে।

স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভানোর আগেই মঞ্চের বেশির ভাগ পুড়ে যায়। পরে আয়োজকেরা বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান বাতিল করে পুলিশকে খবর দেয়।

প্রতিবছর এ গ্রামের তরুণ সমাজের পক্ষ থেকে দলমত-নির্বিশেষ দিনব্যাপী আলোচনা সভা, খেলাধুলা, পুরস্কার বিতরণ ও রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিজয় দিবসের মঞ্চে আগুন ও অনুষ্ঠান পণ্ড করায় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত খুঁজে বের করে তাদের বিচার দাবি করেছেন।

শেরপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনছার আলী বলেন, ‘আমরা বিজয় দিবসের মঞ্চে আগুনের কথা শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর বলা যাবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’

এলাকার একাধিক ব্যক্তি নাম না প্রকাশের শর্তে জানিয়েছেন, ওই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নির্ধারণ করা নিয়ে একটি মহল এ ঘটনা ঘটাতে পারে।

অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা এ্যাডভোকেট আলমগীর কিবরিয়ার সঙ্গে কথা বললে তিনি এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে চাননি।

এমকে