যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা, গদখালী ও শিমুলিয়া ইউনিয়নে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।আজ শনিবার দুপুর দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এ আইন বলবৎ থাকবে।
চতুর্থ দফায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পথসভায় সংঘর্ষের আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) এই আদেশের কথা মাইকে প্রচার করে জনগণকে জানিয়ে দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউএনও মো. আবদুল জলিল জানান, বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে তিন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের পথসভার কর্মসূচি ছিল। ওই কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বাধা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে- এমন গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জেলা পুলিশ আমাদের কাছে সাহায্য চায়। তখন যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তিনটি ইউনিয়নে দুপুর দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগ দুই ভাগে বিভক্ত। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল এক অংশের এবং সাধারণ সম্পাদক মুসা মাহমুদ অপর অংশের নেতৃত্ব দেন। এ তিনটি ইউনিয়নে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তাঁরা জাহাঙ্গীর আলমের অনুসারী বলে পরিচিত।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য তিনটি ইউনিয়নে পথসভা ডাকা হয়। ওই কর্মসূচিতে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারের যোগ দেওয়ার কথা ছিল। সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। হঠাৎ দুপুরে ১৪৪ ধারা জারির খবর মাইকে প্রচার করা হয়। কোনো কারণ ছাড়াই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এআই





