নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় একটি রফতানিমুখী গার্মেন্টস কারখানার ঝুট নামানো নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণেরও ঘটনা ঘটে।

ফতুল্লা মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সামসুজ্জামান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংঘর্ষের ওই ঘটনায় অন্তত দু’জন আহত হয়েছেন।

ফতুল্লার গাবতলী কেতাবনগর এলাকায় রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে টুটু বোরের একটি গুলি এবং চারজনকে আটক করেছে। তবে আটকরা নিজেদের গার্মেন্টসশ্রমিক বলে দাবি করেছেন। তারা হলেন- রহমান, রাজীব, রাসেল ও হারুন।

স্থানীয়রা জানান, কেতাবনগরের মাস্টার গার্মেন্টসের ঝুট নামানো নিয়ে নূর হোসেন নূরা ও সেলিম গ্রুপের সঙ্গে নাসির ও রুহুল গ্রুপের বিরোধ ছিল। রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উভয় গ্রুপের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে মহিউদ্দিন ওরফে পাগলা মহিউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। এ সময় সেখানে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি, পরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের লোকজন অবৈধ অস্ত্র দিয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে চারজনকে আটক করে। ফতুল্লা মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সামসুজ্জামান খান জানান, ওই স্থান থেকে পয়েন্ট টুটু বোরের একটি গুলি উদ্ধার এবং চারজনকে আটক করা হয়েছে।

সংঘর্ষে জড়ানো দুর্বৃত্তরা যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তাদের মধ্যে কয়েকজন মাসদাইরের মোখলেছ হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া পিচ্চি মিজান ও বড় মিজানের সহযোগী।

শনিবারও গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ’র এক পরিচালকের কারখানায় ঝুট ব্যবসা নিয়ে হামলা চালানো হয়।

ইআর