মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে দুইদিন ব্যাপি কর্মসূচির ২য় দিনে আজ ২৬ মার্চ সোমবার সকালে নগরীর ২ নং গেইটস্থ শহীদ জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত বিপ্লব উদ্যানের বিপ্লব বেধীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্করের নেতৃত্বে পুস্প অর্পণ শেষে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বের কথা স্মরণ করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
এ সময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ জিয়াই ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছিলেন। এটাই সত্যিকারের ইতিহাস। ২৬ মার্চ ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে মানুষ উজ্জীবিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে জাপিয়ে পড়েছিল। তারপর দেশ স্বাধীন না হলে জিয়াউর রহমান একজন আর্মি হিসেবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে তার ফাঁসি হতো।
মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে স্বাধীনতা পরবর্তী শেখ মুজিব সরকার শহীদ জিয়াকে বীরউত্তম উপাধি দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারের মন্ত্রী-এমপি যারা শহীদ জিয়াকে কটাক্ষ করে তারা সেদিন মুক্তিযুদ্ধ করেনি।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন,বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৪৭ বছর পরও এদেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছে না। স্বাধীনতাকে একটি গোষ্ঠী তাদের নিজস্ব সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করছে। বর্তমানে দেশে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আইনের শাসন, জীবনের নিরাপত্তা ও কথা বলার স্বাধীনতা বলতে কিছুই নেই। সব কিছু চলছে স্বৈরাচারী কায়দায়। স্বাধীনতার এ মহান দিনেও বিএনপির সভাসমাবেশে পুলিশ বাঁধা দিয়ে ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেছেন,শহীদ জিয়ার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের অস্তিত্ব থাকত না।
তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছেন। স্বাধীনতার এ মাসে মিথ্যা সাজানো মামলায় বেগম জিয়াকে বন্দি করে গণতন্ত্রকে শেষ বারের মত নির্বাসনে পাঠিয়ে স্বৈরতন্ত্রের নাম লেখিয়েছে
অবৈধ সরকার।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি বেগম রোজী কবীর, কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিনসহ আরো অনেকে।
মাসুম/জেড





