সীতাকুন্ডে অস্ত্র উদ্ধারের নামে মিথ্যা ও সাজানো নাটকের মাধ্যমে বিএনপিসহ ২০দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানীর প্রতিবাদ জানিয়েছেন সীতাকুন্ড উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল জনগনই যার মুল শক্তি। বিএনপি এদেশের প্রতিটি গনতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে সবসময় নেতৃত্ব দিয়েছে।
অথচ বর্তমান স্বৈরাচারী অবৈধ সরকার বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল আখ্যা দেওয়ার জন্য নানাবিধ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। যারই ধারাবাহিকতায় সীতাকুন্ডের নুনাছড়ায় অস্ত্র উদ্ধারের কল্প কাহিনী সাজিয়ে সেখানে বিএনপি তথা ২০দলীয় জোটের নেতাকর্মীদেরকে বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে এনে মিথ্যা মামলায় চালান দিচ্ছে যা তাদের ষড়যন্ত্রেরই বহিঃপ্রকাশ।
আটক বিএনপি নেতা ফখরুল ইসলামকে সন্ধ্যায় বাড়বকুন্ড বাজারে তার দোকান থেকে ধরে এনে রাত ৩টায় অস্ত্র উদ্ধারের যে কল্প কাহিনী সাজিয়েছে তা অত্যন্ত ঘৃণ্য, বর্বরোচিত ও ন্যাক্কারজনক।
নেতৃবৃন্দ এ ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো নাটকের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, প্রশাসন সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের মদদে সীতাকুন্ডজুড়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। বিএনপি তথা ২০দলীয় জোটের নেতাকর্মীদেরকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে তাদের উপর অমানবিক নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে।
সীতাকুন্ডকে বিএনপি শূন্য করার জন্য নেতাকর্মীদের বাড়ী,ঘর,ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে অথচ প্রশাসন এক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো বিএনপি নেতাকর্মী, সাধারণ পথচারী ও নিরীহ জনগনকে হয়রানী করছে।
এইসব ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করা না হলে প্রশাসনকেই এর দায়ভার বহন করতে হবে। সীতাকুন্ডের আপামর জনগনকে সাথে নিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দূর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন ইতোমধ্যে সরকার নির্লজ্জভাবে প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আসলাম চৌধূরীকে গ্রেফতার করে কারাগারে আটকে রেখেছে।
একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আসলাম চৌধূরী ও তার পরিবারকে হয়রানী করছে। সীতাকুন্ড তথা উত্তর চট্টগ্রামের জনপ্রিয় এ নেতাকে বেআঈনীভাবে গ্রেফতার করে সরকার যে হটকারীতার আশ্রয় নিয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে আসলাম চৌধূরীসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন।
এমকে





