বিদ্যুৎ স্থাপনায় নাশকতার জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল ও ১০ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘বিদ্যুৎ আইন, ২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বর্তমানে ১৯১০ সালে ব্রিটিশদের করা আইন অনুযায়ী বিদ্যুত ব্যবস্থাপনা চলছে। অর্থাৎ নতুন আইনটি চালু হলে তা হবে বিগত ১০৬ বছরের মধ্যে নতুন বিদ্যুত আইন।

সচিবালয়ে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অনুমোদনের কথা জানান।

এছাড়া প্রস্তাবিত আইনে বিদ্যুৎ চুরি রোধে বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার নেতৃত্বে একটি গোয়েন্দা সেল গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি আরও জানান, নতুন বিদ্যুৎ আইন অনুযায়ী বিদ্যুৎ খাতের ব্যবস্থাপনার জন্য ইনডিপেনডেন্ট সিসটেম অপারেটর (আইএসও) প্রতিষ্ঠা করা হবে। এছাড়া নিয়োগ পাবেন প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শক। পাওয়ার সেলকে নতুন আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

বিগত ব্রিটিশ আমল ও পাকিস্তান আমল শেষে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও চার দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুত খাতে কোন যুগোপযোগি আইন হয়নি নানা কারণে। তবে, এবার নতুন আইন চালু করা সম্ভব হলে এই খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও মন্ত্রীসভার আলোচনায় উঠে আসে।

এমএ