গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের খরস্রোতা তিস্তা নদী এখন মৃত খালে পরিণত হয়েছে।

ফলে নদী পথে চরাঞ্চলের সাথে নৌ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এখানকার অধিবাসীদের।

এছাড়া নদী নির্ভর নৌ শ্রমিক ও জেলেরা তাদের আদি পেশা হারিয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে।

নদী ড্রেজিং না করায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পলি জমে নদীর গভীরতা আরও কমিয়ে দিয়েছে।

শুকনো মৌসুমে নদীর নাব্যতা বজায় রাখতে সেজন্য জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং করা একান্ত অপরিহার্য হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এব্যাপারে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করছে না।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, দহবন্দ, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, কাপাশিয়া ও শ্রীপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা নদী।

বর্ষাকালে পানি থাকলেও শুকনো মৌসুমের ৭ মাস গোটা তিস্তা নদীই চর হয়ে থাকে। হাজার হাজার একর আবাদি জমি নদী থেকে উঠে আসলেও বালুর স্তর পড়ায় সেখানে কোনো ফসল উৎপাদন করাও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চরাঞ্চলের মানুষ এখন চরম দুর্ভোগের মুখে দিনাতিপাত করছে।

নদীর বালুর উপর দিয়ে মাইলের পর মাইল হেঁটে ও খেয়া নৌকায় ছোট ছোট খাল পাড়ি দিয়ে দীর্ঘ সময় ব্যয় করে তাদের জেলা ও উপজেলা শহরের সাথে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

এ অবস্থার অবসানে জরুরি ভিত্তিতে নদীতে ড্রেজিং করতে হবে। ড্রেজিংয়ের অপেক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে তাকিয়ে আছে দুর্ভোগে পড়া অধিবাসীরা।

এসএইচ