কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াত-শিবির ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ১৫টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় জামায়াত-শিবির। উপজেলা সদরে সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ অন্তত ২৫-৩০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে। এ সময় জামায়াত-শিবিরের সাত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম জানা যায়নি। তবে জামায়াত জানিয়েছে আটকরা তাদের নেতাকর্মী নন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামানের চূড়ান্ত রায়ে ফাঁসি বহালের প্রতিবাদে নেতাকর্মীরা চৌদ্দগ্রাম বাজারে মিছিল বের করে। এসময় পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। মুহূর্তের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ অন্তত ২৫-৩০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে। এ সময় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা ১৫টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। আতঙ্কে সাধারণ মানুষ ছুটাছুটি শুরু করে। খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মোতায়েন করা বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার চক্রবর্তী জানান, জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় তারা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
ওসি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. শাহাব উদ্দিন জানান, জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহালের প্রতিবাদে মিছিল বের করলে বিনা উস্কানিতে পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় অন্তত ২০-২৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে তাদের সাত নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
জেআই





