প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া নারীর উন্নতি সম্ভব নয়। অন্ধকার জগত থেকে নারীদের আলোর পথ দেখিয়েছিলেন বেগম রোকেয়া শাখাওয়াত হোসেন।’

নারীরা পুরুষদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে; বেগম রোকেয়ার সে স্বপ্ন আজ বাস্তবতা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পদে দায়িত্ব নেওয়া নারীরা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, সরকার নারীর উন্নয়ন ও সুরক্ষায় জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে নারীদের অবস্থান নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পার্লামেন্ট কার্যকর হয় স্পিকার, সংসদ নেতা ও বিরোধী দলের নেতাদের জন্য। এখন এই তিন জায়গাতেই নারী রয়েছে।’

ক্রীড়া অঙ্গনে মেয়েরা ভালো করছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নারীদের সুরক্ষার জন্য তার সরকার বেশ কয়েকটি আইন প্রনয়ন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাতৃত্বকালীন ছুটি আমরা তিন মাস থেকে ছয় মাস করেছি। নারীদের জন্য যে স্বপ্ন বেগম রোকেয়া দেখেছিলেন তা বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ কাজ করছে। নারী ক্ষমতায়নে বিশ্বে বাংলাদেশ এটা নিশ্চিত করেছে।’

একটা সমাজ তথা দেশকে এগিয়ে নিতে হলে নারী ও পুরুষের সমান অবস্থান জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে কাজ করে যাচ্ছি।’

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় মনোনীত যে পাঁচ নারী রোকেয়া পদক পেয়েছেন তারা হলেন- নারীশিক্ষায় অধ্যক্ষ শামসুন্নাহার, নারীর অধিকার, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য পদক পাচ্ছেন ড. নুরুন্নাহার ফয়জুন্নেসা (মরণোত্তর)।

এসময় প্রধানমন্ত্রী নারী জাগরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালনের জন্য ৫ জন নারী ও তাদের পরিবারের হাতে বেগম রোকেয়া পদক ২০১৯ তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রী আমি চাই মেয়েরা এগিয়ে আসুক। তারাই উদ্যোক্তা হোক। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নারী উদ্যোক্তারা বিশেষ সুবিধা পাবেন।

এএস