নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের হামলা-পাল্টা হামলায় ভাঙচুরের ঘটনায় ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে বন্দর খেয়া এলাকায় এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়, বন্দর থানা ছাত্রলীগ নেতা খান মাসুদের অনুসারী রাজু নামে এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে বন্দর এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। বন্দর পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জহির এ ব্যাপারে রাজুকে কয়েকবার বাধা দিলেও রাজু মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছি। বৃহস্পতিবার বিকালে কাজী জহির রাজুকে মারধর করে। এ ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হয়ে ছাত্রলীগ নেতা খান মাসুদের নেতৃত্বে বিকালে কাজী জহির বন্দর ডক ইয়ার্ডে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরে কাজী জহিরের লোকজন পুনরায় বন্দর খেয়াঘাটে অবস্থিত খান মাসুদের অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় কাজী জহিরের লোকজন বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় ১১টি বেবি ট্যাক্সি ভাঙচুর করে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।

আহতদের মধ্যে রাজু, ফয়সাল ও সালামের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা সবাই খান মাসুদের গ্রুপের লোক।

এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

বন্দর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

কেএইচ