সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহের ডাকা রবিবারের হরতালে গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে কোনো গাড়ি ছেড়ে যায়নি।
তবে সকাল ১০টার পর গাবতলী থেকে মাগুরা, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা রুটের কিছু গাড়ি ছেড়ে যেতে পারে বলে সেখানকার কাউন্টার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এদিকে গাবতলী, কল্যাণপুর ও শ্যামলীতে অনেক দোকানপাট বন্ধ দেখা গেছে। সেই সঙ্গে দেখা গেছে পুলিশের কড়া সতর্ক অবস্থা।
সরেজমিন দেখা গেছে, সকাল থেকে কল্যাণপুরের বাস কাউন্টারগুলো বন্ধ। গাবতলী মাজার রোডের কিছু কাউন্টার খুললেও কোনো দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যায়নি।
এদিকে ঢাকার মধ্যে সিটি পরিবহনের বাস অন্য স্বাভাবিক দিনের চেয়ে অনেক কম।
গাবতলীর ঝিনাইদহ ও কালীগঞ্জগামী কহিনূর পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার কামাল দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘১০টার পর আমাদের বাস ছেড়ে যেতে পারে।’
মাজার রোডের রোজিনা পরিবহনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দীক জানান, হরতালের মধ্যে বাস ছাড়া যাত্রীদের জন্য ঝুঁকি। বিকেলের আগে কোনো বাস ছাড়ার পরিকল্পনা নেই। সকাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি বলেও জানান তিনি।
একই কথা জানিয়ে গাবতলীর শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার মোহাম্মদ শাকিল বলেন, বিকেল ৫টার পর বাস ছাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। সকাল থেকে কোনো গাড়ি ছাড়েনি।
এএইচ





