সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ বনদস্যু বেল্লাল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ডসহ ৪ দস্যুকে আটক করেছে পুলিশ।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ধনচেবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় দস্যুদের আস্তানা ওয়াচ টাওয়ার ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়। উদ্ধার করা হয় দস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা একটি মাছ ধরার ট্রলার।
আটক দস্যুরা হলেন- শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন খুঁড়িয়াখালী গ্রামের চাঁনমিয়া বয়াতীর ছেলে বাহিনীর সেকেন্ড কমান্ড কবির বয়াতী (২৮), শামছু বয়াতী (৪৫), লিটন বয়াতী (২২) ও সোনাতলা গ্রামের খালেক হাওলাদারের ছেলে কবির হাওলাদার (৩০)।
অভিযানের নেতৃত্বে থাকা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল কবির জানান, বনদস্যু বেল্লাল বাহিনীর কাছে জেলে ও মাছ ধরার ট্রলার জিম্মি রয়েছে এমন খবরের ভিত্তিতে এসআই গাজী ইকবাল ও এএসআই মোমরেজসহ ১২ সদস্যের একটি দল ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে সুন্দরবনে অভিযান শুরু করে।
অভিযানের একপর্যায়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে তারা শরণখোলা স্টেশনের ধনচেবাড়িয়া এলাকায় দস্যুদের আস্তানা ঘিরে ফেলেন। এসময় আস্তানার পাহারায় থাকা চার দস্যুকে আটক করা হয়। তখন বাহিনী প্রধান বেল্লাল অস্ত্রশস্ত্র ও অন্য সদস্যদের নিয়ে বনের অন্য এলাকায় ছিলেন। পরে আটক দস্যুদের স্বীকারোক্তিতে বনের ভোলানদীর হয়লাতলা খাল থেকে এফবি নিশা নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ট্রলারটি পাথরঘাটা উপজেলার মৎস্য ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনের বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শরণখোলা থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) কাজী আব্দুস ছালেক জানান, সেকেন্ড ইন কমান্ড কবির বয়াতীর বিরুদ্ধে শরণখোলা ও মংলা থানায় ডাকাতিসহ তিনটি মামলা রয়েছে। আটকরা বনদস্যু বেল্লাল বাহিনীর সক্রিয় সদস্য।
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ





