গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম মুখপাত্র ড. ইমরান এইচ সরকারের উপর জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে হামলা করেছে একদল যুবক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে করা কটুক্তি মামলায় জামিন নিয়ে দুপুর ১২টার দিকে আদালত থেকে বের হবার পর ঢাকা সিএমএম আদালতের গেটে তার উপর হামলা হয়।
মিছিল থেকে ইমরানকে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতাও নিক্ষেপ করা হয়। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ছোড়া কয়েকটি ডিম ইমরানের শরীরে ও গাড়িতে এসে পড়ে।
মিছিল থেকে ইমরানের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেয়া হয়। গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র যতক্ষণ পর্যন্ত প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইবেন আন্দোলন ততক্ষণ চলবে বলেও জানান মিছিলে অংশ নেয়া একজন।
এরআগে রোববার সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন ইমরান এইচ সরকার ও তার সহযোগী সনাতন উল্লাহ। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, চলতি বছরের ২৮ মে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত মিছিল নিয়ে যায় গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। ভাস্কর্য নিয়ে অপরাজনীতির প্রতিবাদে করা ওই মশাল মিছিলে নেতৃত্ব দেন ইমরান এইচ সরকার। সনাতন উল্লাহ মিছিলে স্লোগান দেন। মিছিলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করে স্লোগান দেন আসামিরা। এ ধরনের স্লোগানে মানহানি হয়েছে বাদী দাবি করেন।
৩১ মে ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানী।
ওই মামলা দায়ের হওয়ার পর ৩ জুন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেছিলেন- ‘মারধোর করে হিটখোর ইমরান-সনাতন’রে আর তালগাছের মাথায় চড়াবে না ছাত্রলীগ!
ওদের জন্য ৫০০ পচা ডিমের অর্ডার দেয়া হইছে, ১০০ স্টকে আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহবাগ এলাকায় দেখামাত্র পচা ডিম ছোড়া হবে!!
সাথে কেকা ফেরদৌসি আপার নুডুলসের তেহেরি ফ্রি!’
এসময় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে আদালতের একটি কক্ষে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি পুলিশ পাহারায় সেখানে অবস্থান করলেও আদালতের সামনে তার বিরুদ্ধে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করছেন হামলাকারীরা।
হামলার পর ইমরান সরকার বলেন, এ হামলা একটি নগন হামলা। এটি আদালত অবমাননার শামিল।
এমই





