দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে বৃহস্পতিবার রাতে দৌলতদিয়ায় ৮ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। নদী পারের অপেক্ষায় আটকে পড়েছে দেড় হাজারের অধিক যানবাহন। আটকে পড়া গরু বোঝাই ট্রাক, বাসের যাত্রী ও সংশ্লিষ্টরা শিকার হচ্ছেন চরম দুর্ভোগের।
সরেজমিন দেখা যায়, দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের গোয়ালন্দ রেলগেট এলাকা পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নদী পারের অপেক্ষায় আটকে পড়েছে দেড় হাজারেরও অধিক বিভিন্ন যানবাহন। এ সময় এলোমেলোভাবে গাড়ি ঢুকে পড়ায় ফেরি থেকে নামা যানবাহনগুলো সহজে বের হতে না পেরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এদিকে যানজটের তীব্রতায় স্থানীয় প্রশাসন প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসগুলোকে গোয়ালন্দ বাজার আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার ঘুরিয়ে হামিদ মৃধার হাট হয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে পাঠাচ্ছে।
কুষ্টিয়া থেকে ট্রাক বোঝাই গরু নিয়ে আসা ব্যবসায়ী অহেদ আলী বলেন, ব্যবসার এ মৌসুমে অনেক টাকা বিনিয়োগ করে ২২টি গরু কিনে রাজধানীর হাটে নিয়ে যাচ্ছি। বিকাল ৫টায় গোয়ালন্দে পৌঁছে ৪ ঘন্টা ধরে সিরিয়ালে আটকে আছি। এখনো ফেরি ঘাট থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে আছি। জানি না আরো কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে ফেরির নাগাল পেতে। এদিকে গরুগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তার মত সকল গরু ব্যবসায়ীরই একই অবস্থা।
গোল্ডেন লাইন পরিবহনের দৌলতদিয়া ঘাট সুপারভাইজার লিটন জানান, নদী পার করানোর ক্ষেত্রে গরু বোঝাই ট্রাকগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়ায় যাত্রীবাহী বাস দীর্ঘ সময় ঘাটে আটকে থাকছে। গতকাল তাদের পরিবহনের দূরপাল্লার নৈশকোচগুলো সারা রাত আটকে থেকে পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে পার হতে পেরেছে বলে জানান তিনি। এ সময় যাত্রীরা ব্যাপক দুর্ভোগ পোহান।
বিআইডব্লিউটিসি’র দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বর্তমানে নৌরুটে ১৭টি ফেরি যানবাহন পারাপার করছে।
কেএইচ





