রাজধানীর গুলশান-১-এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ধসে পড়া ডিএনসিসি কাঁচা মার্কেটের ধ্বংস স্তুপ অপসারণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক এ ঘোষণা দেন।
গুলশান-১ মার্কেট চত্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মেজর জেনারেল ছিদ্দিকুর রহমান, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেসবাহুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রি. জেনারেল সাঈদ আনোয়ারুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিসের মেজর শাকিল নেওয়াজ।
আনিসুল হক বলেন, গত ২ জানুয়ারি রাতে মার্কেটের চারতলা ভবন অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণভাবে ধসে গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ২০/২২টি ইউনিট ৪৮ ঘণ্টা চেষ্টার পর তা নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, ১১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড আমাদের আমন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল ও যানবাহন নিয়ে ভেঙে পড়া মার্কেটের ধ্বংসস্তুপ অপসারণের কাজ শুরু করে। ৮ দিনে তারা সব ধ্বংসস্তুপ পরিষ্কার করে। এ কাজে সার্বক্ষণিক ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নিযুক্ত ছিল। সবার সহযোগিতায় ১৫ দিনে অপসারণ কাজ শেষ হয়েছে।
আনিসুল হক আরো বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ উদঘাটনের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কার্যক্রম চলছে। দোকান মালিকদের নিরাপত্তায় ডিএনসিসি পাকা মার্কেট পরীক্ষার জন্য ১২ জানুয়ারি থেকে বুয়েটের বিশেষজ্ঞ টিম নিয়োজিত করা হয়েছে এবং তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা হিসেবে পাকা মার্কেটের পূর্ব পাশে স্টিলের ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের বিষয়ে মেয়র বলেন, মার্কেট ধসে পড়ায় মোট ২৯১ দোকানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের জন্য পার্কিংয়ের জায়গায় ইতোমধ্যে ৮৮টি অস্থায়ী দোকান নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।
আজ থেকে ধসে পড়া ভবনের খালি স্থানে একটি অস্থায়ী মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মেয়র বলেন, ক্ষতির হিসেব এখনো সম্পন্ন হয়নি। ক্ষতির পরিমাণ জানতে কাজ চলছে। কাজ শেষে জানানো হবে।
এমবি





