ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। পাতা ঝড়া ষড়ঋতুর রাজা বসন্ত ঋতু। আবহমান বাংলার সৌন্দর্যের রাজা বলে পরিচিত গ্রীস্মকাল। ফাল্গুন-চৈত্র মাসে গ্রীস্মের শুষ্ক আবহাওয়ায় যতদুর চোখ যায় শুধুই সবুজের সমাহার। সম্প্রতি আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে ভরপুর উপজেলা সাদুল্যাপুর।
পুকুর পাড়ে ২৬ প্রজাতির আম চাষ করে সফলতায় (অবঃ) বিডিআর মোসলেম উদ্দিন। গাইবান্ধার কামারপাড়া ইউনিয়নের হিয়ালী বাধের মাথা গ্রামের মৃত আব্বাস উদ্দিনের জোষ্ঠ পুত্র মোসলেম উদ্দিন বাংলাদেশ বিডিআর বাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি বিভিন্ন ফলজ বৃক্ষ ও মৎস্য চাষের উপর জ্ঞানার্জন করেন।
২০০২ সালে চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করার পর তিনি ফলজ বৃক্ষের উপর পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তার পরিকল্পনা মাফিক দেশের বিভিন্ন স্থান হতে উন্নত জাতের প্রায় ২৬ প্রজাতির আম বীজসহ প্রভুতি ফলজ জাতীয় চারা সংগ্রহ পুর্বক বসত বাড়ীতে নার্সারী স্থাপন করেন। পরে ওই নাসারী থেকে নিজেই কলম কেটে বাড়ী সংলগ্ন ২ একর ৩৪ শতাংশ পরিমাণে পুকুরে মৎস্য চাষের পাশাপাশি তিনি পুকুরের পাড় দিয়ে ২৬ প্রজাতির আমের চারা রোপন করেন বিশেষ করে আম্রপলি, হাড়িভাংগা, লেংড়া, গোপালভোগ, ফজলি উল্লেখযোগ্য। এই আম বাগান থেকে প্রতিবছর ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করে থাকেন। এবারে আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় এবং কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শ নিয়ে গাছ পরিচর্যা করায় আমের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা রয়েছে।
বুধবার সকালে সরেজমিনে গেলে, আম চাষী মোসলেম উদ্দিন বলেন, আমি আম চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান মন্ডল জানান, মোসলেম উদ্দিন বিডিআর (অবঃ) বৃক্ষরোপনে ও মৎস্য চাষে সফলতা অর্জন করায় কৃষি বিভাগ তাকে পরপর দু'বার পুরস্কারে ভুষিত করেছে।
ইআর





