রবিবার সফরের ৩য় দিনে সকাল সোয়া আটটায় দিল্লির এয়ার ফোর্স পালাম স্টেশন থেকে আকাশ পথে আজমীর শরীপে উদ্ধেশ্য রওয়ানা হওয়ার কথা রয়েছে। সকাল সোয়া দশটার দিকে গুরগায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাদের। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যরা আজমীর শরীফে খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রঃ)-র দরগায় দোয়া করবেন ও অন্যান্য স্থান ঘুরে দেখবেন।


আজমীর জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে। ভারতীয় পত্রপত্রিকাগুলো বলছে, শেখ হাসিনার এই সংক্ষিপ্ত সফরের সময়টুকুতে সাধারণের প্রবেশ সীমিত করা হবে। এর আগে ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজমীর সফরে যান। সে বছর তিনি সেখানে দোয়া করেন এবং দরগায় দেড় লাখ রুপি দান করেন। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে নির্মিত এই দরগাহ শরীফ এতদাঞ্চলের মুসলমানদেরসহ অন্যধর্মাবলম্বীদের জন্য এক পবিত্র তীর্থস্থান।

রবিবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে শেখ হাসিনার আজমীর থেকে দিল্লি ফেরার কথা রয়েছে। সফরের তৃতীয় এই দিনে সন্ধ্যায় তার নিমন্ত্রণ ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির দেওয়া নৈশভোজে। তবে তার আগেই শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে রাষ্ট্রপতি ভবনে আসবেন ভারতীয় কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। ছেলে রাহুল গান্ধীও সোনিয়ার সাথে থাকার কথা রয়েছে।

এই সাক্ষাতের পরেই রাষ্ট্রপতি প্রনব মুখার্জির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। রাষ্ট্রপতি ভবনেই সে সাক্ষাতের জন্য কর্মসূচি নির্ধারিত রয়েছে সন্ধ্যা সাতটায়। এরপর সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির দেওয়া নৈশভোজে অংশগ্রহণ আর তার আগেই এই ভবনের অশোকা হলে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফর সঙ্গীরা।
জেড