পকেটমার ও ছিনতাই বন্ধ হওয়ায় অনেকে এখন সদরঘাট দেখতে আসেন বলে দাবি করেছেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান।

মঙ্গলবার দুপুরে সদরঘাটে ঢাকা নদী বন্দর টার্মিনাল ভবন সম্প্রসারণ কাজের ভিত্তিফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শাজাহান খান।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান ড. মো. শামছুদ্দোহা খন্দকার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মো. সেলিম, বিআইডব্লিউটিএ সচিব মো. আব্দুল আউয়াল, নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম প্রমুখ।

নৌমন্ত্রী বলেন, ঢাকা নদী বন্দর দেশের বৃহত্তর নৌ-বন্দর। এ বন্দর ঢাকার প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত। বন্দর দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক প্রায় ৫০/৬০ হাজার যাত্রী দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে যাতায়াত করেন।

তিনি বলেন, ঈদ-পূজাসহ অন্যান্য উৎসবের সময় যাত্রী স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৭/৮ গুন বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে দুই ঈদের আগে ও পরে প্রতিদিন প্রায় ২/৩ লাখ যাত্রী ঢাকা নদী বন্দর দিয়ে আসা-যাওয়া করেন।

মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান টার্মিনাল দিয়ে বিপুল সংখ্যক যাত্রী আসা-যাওয়ার সময় অস্বাভাবিক চাপ পড়ে। এমনকি একই সঙ্গে অগণিত মানুষের চাপে পড়ে পন্টুন ডুবে যাওয়ার ও গ্যাংওয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয়। এজন্যই  টার্মিনাল ভবন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সদরঘাট নদী বন্দরে ১৩টি পন্টুন, ৯টি গ্যাংওয়ে রয়েছে এবং বর্তমানে টার্মিনার ভবনের সঙ্গে মাত্র ৫টি পন্টুন ও ৪টি গ্যাংওয়ে সংযুক্ত রয়েছে। অবশিষ্ট ৫টি গ্যাংওয়ে ও ৮টি পন্টুনের সম্মুখে টার্মিনাল ভবন না থাকায় বর্তমান টার্মিনাল ভবন দিয়ে যাত্রী সাধারণ উক্ত পন্টুন ব্যবহার করে থাকেন। এতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিশ্বের বৃহত্তর নদী বন্দর ঢাকা নদী বন্দরের টার্মিনাল ভবন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিজস্ব অর্থায়নে সদরঘাট টার্মিনাল ভবন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

জেআই