চাঁদপুরে করোনাভাইরাস উপসর্গ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ ফেরত ৪১ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙ্গা গ্রামে চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতিতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
রাতেই তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
ওই ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জে একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায়। গত এক বছর আগে বিয়ে করেন তিনি। করোনার উপসর্গ নিয়ে শ্বশুরবাড়ি চাঁদপুর সদরের রামপুর এলাকায় এসে মারা যান তিনি।
ওই ব্যক্তি গত ২৬ মার্চ তার কর্মস্থল নারায়ণগঞ্জে সর্দি, জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হন। তারপর তিনি কিছুটা সুস্থ হলে ০১ এপ্রিল চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙ্গা গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ফিরেন। এর মধ্যে আবারো তার সর্দি, জ্বর ও কাশি দেখা দেয়। তার সাথে রক্তের উচ্চচাপও বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শনিবার বিকেলে মারা যান তিনি।
খবর পেয়ে রাতে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সাজেদা পলিন, মেডিকেল অফিসার ডা: আব্দুল্লাহ ফয়সালের নেতৃত্বে ৮ সদস্যদের একটি প্রশিক্ষিত দল যায়। দলটি মৃতের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে। পরে নির্ধারিত নিয়ম মেনে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এদিকে, চাঁদপুরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো তিনজন চিহ্নিত হয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জনকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং একজনকে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
চাঁদপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ থেকে চাঁদপুর জেলায় আসা ৮৩২ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।
চাঁদপুর জেলা সিভিল সার্জন জানিয়েছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই যুবকের পরিবারকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী আশপাশের ১০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
এমবি





