বঙ্গোপসাগরের ট্রলার ডুবির ঘটনায় অবশেষে সকল জেলেদের সন্ধান মিলেছে। ট্রলারের ১২জন জেলে অন্য ট্রলারের সহায়তায় উদ্বার হলেও ৫ জেলের সলিল সমাধি ঘটেছে সাগরেই। জেলেদের বাড়ীতে চলছে কন্নার রোল।
গত কাল শনিবার কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য ব্যবসায়ী ও ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা ও ট্রলার মালিক দুলাল হাওলাদার
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ট্রলার দু’টি ৩৩জন জেলে নিয়ে মঙ্গলবার রাতে বঙ্গোপসাগরে অকষ্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হয়।
নিহত জেলেরা হল-আলীপুরের খাজুরা জেলে আবাসনের দেলোয়ার ফকির(৪৮)পিতা. তোতা ফকির, গনি মোল্লা(৪৮) পিতা. চান্দু মোল্লা, ইউসুফ(৩৭)পিতা.হাচন হাং, আজিজ(৩২) পিতা.ধজ্ঞু চৌকিদার এবং পটুয়াখালী সদরের ফাইজুল ওরফে সাইদুল(২৮) পিতা.অজ্ঞাত।
আনসার উদ্দিন মোল্লা জানান, পটুয়াখালীর আলীপুর-কুয়াকাটার ১২টি ট্রলার ২শতাধিক জেলে নিয়ে ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হয়। শুক্রবার পর্যন্ত দশটি ট্রলারের সন্ধান মেলে। শনিবার রাত দশটায় এফবি সালেহার সন্ধান পাওয়া যায় সুন্দরবনে আশ্রয় নেয়ায়।
জানা গেছে এর জেলেদের সবাই জীবিত রয়েছে। তবে এফবি সাইদুল ডুবে গিয়ে এর বারো জেলে জীবিত ফিরলেও
নিহত হয়েছে পাঁচ জেলে।
এদিকে ৫ জেলের নিহত হওয়ার খবরে মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুরে অড়ৎ পট্টিতে নেমে আসে শোকের ছায়া। জেলে পরিবারে চলছে কান্নার রোল।
ট্রলার ডুবে যাওয়া এবং ৫জেলে নিহত হওয়ার খবর শুনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মালিক দুলাল হাওরাদার।
আমির/এসএম





