সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছরের দাবিতে ঘোষিত সমাবেশ শুরুর পূর্বে চাকরি প্রত্যাশী ৭ জনকে আটকের অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা।
গত শনিবার (২০ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শাহবাগে জড়ো হওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়। এ সময় পুলিশ তাদের আটক করেন।
আটক শিক্ষার্থীরা, সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক হারুন অর রশীদ, আনিসুল হক, বিনয় ও শামীম। এছাড়া আরও ৩ শিক্ষার্থী আটক হয়েছেন।
‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ’র যুগ্ম আহবায়ক সাহাবুদ্দিন সিহাব সারাবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে শাহবাগে চাকরির বয়স ৩৫ করার দাবিতে জড়ো হচ্ছিলেন।
জাদুঘরের সামনে ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী সমাবেশের জন্য দাঁড়াতেই সাদা পোশাকে পুলিশ এসে কয়েকজনকে টেনে নিয়ে যায়। এসময় সমাবেশও ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।’
তিনি বলেন, আটক শিক্ষার্থী যারা তাদের এখনও ছাড়েনি। আমরা এখন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদ ও দ্রুত ৩৫ বাস্তবায়নের জন্য লাগাতার অবস্থানে অনড় ।
যুগ্ম আহ্বায়ক সিহাব আরও বলেন, ‘আমরা উপায় না পেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে পরে সমাবেশ করি। আটক ৭ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে না দিলে আমরা রাতভর রাজু ভাস্কর্যের সামনেই কাটাবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’
শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার বলেন, ‘কোনো অনুমতি না নিয়ে হঠাৎ কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় নামলে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এখনো তাদের নাম ও ঠিকানা তালিকা করা হয়নি। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা এলে বিষয়টি পরিস্কার হবে।’
রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, সড়ক অবরোধ করে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়। যাদের আটক করা হয়েছে তাদের নাম পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ করার আটকদের ছেড়ে দেওয়া হবে। (সূত্র,সারাবাংলা)
এএস





