ভিসি (উপাচার্য) হিসেবে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত আমার মেয়াদ আছে। আমার মেয়াদ শেষ শুনেই ভিসি পদ নেওয়ার জন্য কম্পিটিশন শুরু হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য প্রাণ গোপাল দত্ত।
আজ শনিবার সোসাইটি অব ট্রান্সপ্লান্টেশন বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাণ গোপাল দত্ত এসব কথা বলেন।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা দায়িত্ব পালন শেষে বিভাগে ফিরে যান। কিন্তু আমি মনে করি, অধ্যাপক হিসেবে সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালনের পর আমার আর ফিরে যাওয়া উচিত হবে না।’
নিজের কাজের বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করে প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, অনেকেই তাঁর প্রশংসা করেন, কিন্তু তিনি নিজেকে ব্যর্থ মনে করেন। কারণ চিকিৎসকদের তিনি আটটা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত হাসপাতালে ধরে রাখতে পারেননি। চিকিৎসকদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের সেবা করার আহ্বান জানান এই উপাচার্য।
সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করে প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন বলেন, ‘বিএসএমএমইউতে কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ আগের মতো হচ্ছে না। পত্রিকা ‘কিডনি বিপ্লব’ ঘটিয়ে ফেলল। কিছু সংখ্যক লোকের কারণে সার্জন, ফিজিশিয়ানরা এখন ভয় পান। যাঁরা জড়িত, তাঁদের তো কিছু হলো না, আমরা পিছিয়ে গেলাম।’
‘মরণোত্তর অঙ্গদানে অঙ্গীকার করুন-জীবন বাঁচান’ এই স্লোগান নিয়ে সোসাইটি অব ট্রান্সপ্লান্টেশন বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মস্তিষ্কের মৃত্যুর পর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দানের মাধ্যমে মুমূর্ষু রোগীদের সেবা দেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেন চিকিৎসকেরা।
সোসাইটি অব ট্রান্সপ্লান্টেশনের সভাপতি হারুন-উর-রশিদ বলেন, মরণোত্তর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন শুরুর আগে যাঁরা রোগে ভুগছেন, কেন্দ্রীয়ভাবে তাঁদের তালিকা তৈরি করা প্রয়োজন।
ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





