রাজশাহীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু সুফিয়ান বুধবার দুপুরে এ রায় দেন।

সিরাজুল ইসলাম নগরীর মতিহার থানার বামন শেখড় এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) সেন্টারের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমা খানম জানান, বামন শেখড় এলাকার ওই কিশোরীকে ২০১১ সালের ২৫ জুন ধর্ষণ করে ওই এলাকার সিরাজুল ইসলাম। পরে ভুক্তভোগী গর্ভবতী অবস্থায় ওই বছরের ৫ অক্টোবর রামেকের ওসিসিতে ভর্তি হন। ডিএনএ পরীক্ষায় পজেটিভ রিপোর্ট আসায় ১৫ নভেম্বর ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে মতিহার থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কিশোরী এক সন্তানের জন্ম দেন। দীর্ঘ তদন্ত ও শুনানি শেষে আদালত বুধবার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার সমস্ত খরচ ও যাবতীয় সহায়তা ওসিসি থেকে দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মর্জিনা খাতুন জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ওই টাকার মধ্যে ২০ হাজার টাকা পাবেন ওই কিশোরী এবং বাকি ৮০ হাজার টাকা পাবেন তার সন্তান।

আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সন্তানটি বাবার পরিচয় হিসেবে সিরাজুল ইসলামের পরিচয় পাবে এবং তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারও হবে।

কেএইচ