নগরজুড়ে দাপিয়ে বেড়ানো কিশোর অপরাধীদের আড্ডাস্থল এবং তাদের গডফাদার খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।
রোববার (২৮ জানুয়ারি) খোরশেদ আলম সুজন নগরীতে গণধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার নয় বছরের শিশু ফাতেমা আক্তার মিমের বাসায় যান। মিমের স্বজন এবং উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি জানান।
সুজন বলেন, বিভিন্ন এলাকায় কিশোর অপরাধীদের উৎপাত ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। কয়েকদিন আগে একজন স্কুলছাত্রকে কিশোর অপরাধীদের হাতে নির্মমভাবে প্রাণ দিতে হয়েছে। মিমকে যারা ধর্ষণের পর হত্যা করেছে তাদের মধ্যেও কিশোর অপরাধী আছে। এলাকায়-এলাকায় বিভিন্ন আশ্রয়দাতার পরিচয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে তারা।
পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, কিশোর অপরাধীদের আড্ডাস্থল খুঁজে বের করুন। তালিকা করুন। সেই আড্ডাস্থলগুলো নজরদারিতে রাখুন। কিশোর অপরাধীদের গডফাদার কারা, তাদের খুঁজে বের করুন। তাদের গ্রেফতার করুন। শাস্তি দেন।
সুজন বলেন, এলাকায়-এলাকায় ক্ষুদ্রঋণের নামে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ প্রতিষ্ঠান গজিয়ে উঠছে। তাদের কারণেও সহিংসতা ছড়াচ্ছে। প্রশাসনের উচিৎ এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া।
গত ২১ জানুয়ারি নগরীর আকবর শাহ থানার বিশ্বকলোনিতে একটি বাসায় মিমকে সাতজন মিলে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মিম আকবর শাহ থানার ফাতেমাতুজ জোহরা হিফজুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।
এই ঘটনায় জড়িত সাতজনের মধ্যে ছয়জনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
মিমের স্বজনদের সান্ত্বনা দিতে গিয়ে খোরশেদ আলম সুজন আকবর শাহ থানার ওসি আলমগীর মাহমুদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তিনি ছয়জনকে গ্রেফতারে পুলিশকে ধন্যবাদ দিয়ে পলাতক দুর্বৃত্তকে গ্রেফতারের দাবি জানান।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নুরুল কবির, তোফাজ্জল হোসেন ওয়াসিম, ফেরদৌস মাহমুদ আলমগীর, আবুল হাসান সৈকত।
মাসুম/এমআর





