আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস আজ। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে একযোগে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

জাতিসংঘ ২০০২ থেকে কাজ শুরু করে ২০০৬ সালের মাঝামাঝি নাগাদ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ রচনা করে।

ইংরেজিতে এর নাম ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রটেকশন অব অল পারসন্স অ্যাগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স’। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে এ সনদ কার্যকর হয়।

২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মানুষদের স্মরণে এবং গুমের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতেই দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ।

প্রতিবারের মতো বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে বিশেষ বাণী।

জাতিসংঘের ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স অ্যান্ড ইনভলান্টারি’র সভাপতি অ্যারিয়েল দুলিৎস্কি বলেন, ‘এখনো গুমের ঘটনা অব্যাহত আছে। আমরা ৮৮টি দেশের তথ্য সংগ্রহ করেছি।

এসব দেশের যেখানে-সেখানে মানুষ গুম হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে উন্নত কিংবা উন্নয়নশীল, গণতান্ত্রিক কিংবা স্বৈরতান্ত্রিক- সব রকমের দেশই আছে।’

লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে ১৯৭০ ও ৮০-র দশকে কেবল অবৈধ অস্ত্র কারবারি ও ভিন্নমতাবলম্বীরাই গুম হতো।

কিন্তু বর্তমানে নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী, মাদক ব্যবসায়ী ও মানব পাচারকারীদের মধ্যেও গুমের ঘটনা দেখা যায়।

অ্যামনেস্টি জানায়, ২০০৭ সাল থেকে মেক্সিকোয় ২৫ হাজার মানুষ গুম হয়েছে। আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব সলিল শেঠি বলেন, ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার গুমের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েছে।

এই দিনে বিশ্বব্যাপী আমাদের প্রতি লাখ লাখ মানুষের সমর্থন নৃশংস গুম করা বন্ধ করতে সরকারগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করবে।’

 

এএস