মাতৃমৃত্যুর হার কমোতে নারীর বিয়ের বয়স ১৬ নয়, ১৮ বছরের বেশি হওয়ার তাগিদ দিয়েছে নারী বিষয়ক সংগঠন উইমেন এনভয়। এর পাশাপাশি ছেলেদের বিয়ের বয়সও ২১ এর বেশী হওয়া উচিত বলে মনে করে সংগঠনটি।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে উইমেন এনভয় আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে সংগঠনটির বক্তারা এ অভিমত প্রকাশ করেন।

বক্তারা বলেন, নারীর বিয়ে তাড়াতাড়ি দেওয়ার জন্য পিতা-মাতা ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন। এ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে চাইলে অবশই নারীর বিয়ের বয়স ১৮ বছরের বেশি হতে হবে। শুধু তাই নয়, ছেলেদের বিয়ের বয়সও ২১ এর বেশি হওয়া উচিত।

সমাজকে নতুন করে গড়ার জন্য আমাদের আবার এ বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। নারীদের বিয়ের বয়স বাড়ানোর পাশাপাশি ছেলেদেরও বিয়ের বয়স বাড়াতে হবে।

নারীর বিয়ের বয়স ১৬ বছর করার সরকারি সিদ্ধান্তের বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে আলোচকরা বলেন, নারীর শারীরিক ভারসাম্য, মানসিক চিন্তা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার বিচার করলে এ সিদ্ধান্ত ভুল হয়েছে।

বক্তারা বলেন, সরকার যেন নারীর বিয়ের বয়স ১৬ বছর করা সংক্রান্ত প্রস্তাবটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রাণালয় থেকে প্রত্যাহার করে। এর পাশাপাশি প্রান্তিক পিতা-মাতারা যেন মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার থেকে তাদের শিক্ষাদানে অধিক মনোযোগী হন। এ বিষয়ে সরকার যেন নানা ধরনের প্রকল্প নেয়।

বক্তারা আরও বলেন, মেয়েদের বিয়ের বয়স ২০ ও ছেলেদের ক্ষেত্রে হতে হবে ২৫ বছর। কম বয়সে বিয়ে মানে, নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও নিয়ন্ত্রণ, এসব খাতে পিছিয়ে যাওয়া।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উইমেন এনভয় এর সভাপতি শিখা ভূঁইয়া ও প্রস্তাব উপস্থাপন করেন জিনাত হুদা।

এমকে