জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলেই সরকার বিরোধী দলের উপর হামলা, মামলা ও গণগ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। তারা ৫ জানুয়ারি আদলে আবারও একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জবরদখল করতে চায়। কিন্তু সচেতন জনতা সরকারের সে স্বপ্নবিলাস কখনোই সফল হতে দেবে না এবং শত বাধা-প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে সারাদেশের মত ঢাকা-১৫ আসনে ধানের শীষে বিজয় নিশ্চিত করবে বলেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক ও ঢাকা-১৫ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের অন্যতম সমন্বয়ক সালাহউদ্দীন আইউবী ।

তিনি ৩০ ডিসেম্বর দলে দলে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অগণতান্ত্রিক শক্তিকে রুখে দেয়ার আহবান জানান।

শুক্রবার রাজধানীতে ঢাকা-১৫ আসনে ২০ দলীয় জোট মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমানের সমর্থনে ২০ দলীয় জোট কাফরুল থানার ১৬ নং ওয়ার্ড আয়োজিত প্রচার মিছিল পরবর্তী পথসভায় এসব কথা বলেন।

সকাল ৭ টায় প্রচার মিছিলটি মিরপুর-১০ নং থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাজীপাড়া এসে পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিতি ছিলেন যুবদল নেতা আনোয়ার সা’দাত রনি, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম, শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সভাপতি আজিজুল ইসলাম সজীব ও মহানগরী পশ্চিমের সেক্রেটারি জোবায়ের হোসেন রাজন প্রমূখ।

সালাহউদ্দীন আইউবী বলেন, ঢাকা নগরীর প্রাণকেন্দ্র অবস্থিত ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসন। এ আসনে ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বিশিষ্ট চিকিৎসক, স্বনামধন্য সমাজসেবক, খ্যাতিমান সংগঠক, প্রখ্যাত রাজনীতিক, ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষনেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল জননেতা ডা. শফিকুর রহমানকে।

কিন্তু নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণেই তিনি এখনো নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন নি। এমনকি ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরাও নির্বিঘ্নে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন নি। সরকার দলীয় সন্ত্রাসী ও পুলিশ যুগপৎভাবে তাদের উপর হামলা চালিয়ে তাদেরকে নির্মমভাবে মারধর, যানবাহন ভাঙ্গচুর, প্রচার সামগ্রী ও নগদ অর্থ লুটের ঘটনাও ঘটাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত হামলা, মামলা ও গণগ্রেফতার অব্যাহত আছে। শুধু ঢাকা-১৫ আসনেই এ পর্যন্ত আড়াই শতাধিক ২০ দলীয় জোট নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেক নেতাকর্মীকে গুমও করা হয়েছে। এমনকি সরকারের জিঘাংসা ও প্রতিহিংসা থেকে রেহাই পাননি নারী নির্বাচনী কর্মীরাও। তাদেরকেও নির্বিাচারে গ্রেফতারসহ গুমের ঘটনাও ঘটেছে। মূলত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তো দুরের কথা বরং বিরোধী দল নির্বাচনী প্রচারের ন্যুনতম সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে জনগণ ফ্যাসীবাদী সরকারকে বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেবে না বরং ৩০ ডিসেম্বর ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি নির্বাচনের দিন ভোট চোরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।

(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)