যশোরে বুধবার বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচিতে পুলিশের হামলা ছিল পূর্বপরিকল্পিত বলে অভিযোগ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম।
সাবেক এই মন্ত্রী বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন তাদের অপকর্ম ঢাকতে সরকারকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে। তাই তারা নিরীহ কর্মসূচিতে গুলি ছুড়েছে।’
একই সঙ্গে তরিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘কোনো কোনো অপশক্তি সরকারকে বিব্রত করতে অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছে। এই অতি উৎসাহীদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হলে সরকারেরই ক্ষতি হবে।’
তিনি বলেন, ‘মত প্রকাশ করা গণতান্ত্রিক অধিকার। এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করলে মানুষ বিপ্লবের দিকে ধাবিত হয়। অতি উৎসাহীরা হয়ত সরকারকে সে দিকেই চালিত করছে।’
তরিকুল বলেন, ‘পুলিশের নির্বিচার গুলিতে আহত নিরীহ দোকান কর্মচারী কামাল এখন রাজধানীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। অসংখ্য পথচারী পুলিশের রাইফেলের আঘাতে আহত হয়েছেন। বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে মামলা করা হচ্ছে।’ পুলিশের এই অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার জন্য তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য টিএস আইয়ুব, জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রফিকুর রহমান তোতন, গোলাম রেজা দুলু, প্রফেসর গোলাম মোস্তফা, অ্যাডভোকেট জাফর সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পৌরসভার মেয়র ও নগর কমিটির সভাপতি মারুফুল ইসলাম, সেক্রেটারি মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, মিজানুর রহমান খান, মণিরামপুর পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল, চৌগাছা উপজেলা সভাপতি জহুরুল ইসলাম।
মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর ইসলাম ধর্ম ও মহানবী (সা.) সম্বন্ধে কটূক্তির প্রতিবাদে এবং তার শাস্তি দাবিতে বুধবার বিকালে শহরের মুজিব সড়কে প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচিতে হামলা চালায় পুলিশ। এসময় গ্রেফতার করা হয় দলের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যুগ্ম-সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদসহ আটজনকে। পুলিশের গুলিতে জখম হয় দলের চার নেতাকর্মী।
জেআই





