ভারত থেকে অবৈধ ভাবে আমদানী করা একটি কার্গো জাহাজ ভর্তি লবণ খালাসের সময় জব্দ করা হয়েছে।
এ সময় দু'জনকে আটক করে কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সীলগালা করে দেয়া হয়েছে ওই লবনের গোডাউন।
সোমবার বিকালে নারায়ণগঞ্জের সৈয়দপুর এলাকাতে কদমতলী ঘাটে এ অভিযান চালানো হয়।
কোস্টা গার্ড পাগলা স্টেশনের ওই অভিযানের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার সহকারী কমিশনার শরিফুল ইসলাম।
জানা গেছে, কাস্টিক সোডা আমদানীর নামে ভারতের বোম্বাই এর এপি চৌধুরীর কাছ থেকে লবন আমদানী করে নারায়ণগঞ্জের পূবালী সল্ট।
জাহাজ এমভি বিএনসি-১ থেকে সেই লবণ নামানোর সময় পাগলা কোস্ট গার্ড জাহাজটি আটক করে। আটক করে আশরাফুল আলম এবং স্টোর সহকারী ফিরোজ মাহমুদকে।
নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. শরীফুল ইসলাম জানান, শীতলক্ষ্যার কদমতলী এলাকায় পূবালী সল্টের গুদাম ভাড়া নিয়ে সামুদা ক্যামিকেলস, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জের নামে গত ১ জুলাই থেকে ৪ জুলাই সোমবার পর্যন্ত ২১ হাজার ১শ' ৯৯ বস্তা আয়োডিনবিহীন অপরিশোধিত লবণ গুদামজাত করছিল।
খবর পেয়ে সেখানে বিকালে অভিযান চালিয়ে স্টোর কিপার ফিরোজ মাহমুদ ও নৈশ প্রহরী আশরাফুল আলমকে আটক করা হয়। এসময় তারা কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।
পরে ভ্রামম্যান আদালতের মাধ্যমে ১৮৮৯ সালের ৪ এর ২ ধারায় আটককৃতদের ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। গুদামটি সীলগালা করে দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে পূবালী সল্টের সত্ত্বাধিকারী ও লবণ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি পরিতোষ কান্তি সাহা জানান, সামুদা ক্যামিকেলস কদমতলী তামাকপট্টি এলাকায় তার ছোট ভাইয়ের একটি গুদাম ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছিল যার পক্ষে আমাদের সমস্ত কাগজপত্র রয়েছে। লবণ আটকের সাথে পূবালী সল্টের কোন সম্পর্ক নেই।
একটি সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার ভারত থেকে ফোর ফ্রেন্ডস নামের একটি জাহাজ ১৩ হাজার ৯৯ বস্তা লবণ খালাস করেছে পূবালী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজ।
পূবালী সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজ এর মালিক পরিতোষ কান্তি সাহা, লবন মিল মালিক সমতির অফিস সেক্রেটারি মিজানুর রহমান এবং তার সহযোগী কোহিনুর মিলে ভারত থেকে এ লবন কাস্টিক সোডা দেখিয়ে আমদানী করছে।
আমদানী করা এ লবন ১২টি জাহাজে করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। সোমবার আটক করা এমভি বিএনসি-১ জাহাজটি ছিল দ্বিতীয় জাহাজ।
এএইচ/ এআর





