আগামী ২৩ এপ্রিল নড়াইল সদর উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতা,সংঘর্ষের সমূহ সম্ভবনা রয়েছে।

জানাগেছে, অধিকাংশ ইউনিয়নে নির্বাচনে প্রভাব খাটাতে ও কেন্দ্র দখল করতে বাইরে থেকে সন্ত্রাসী ভাড়া করে আনা হয়েছে। কোন কোন ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী ও আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী প্রতিযোগিতা মূলক ভাবে পেশাদার সন্ত্রাসী ভাড়া করেছে। আনা হয়েছে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ভোট কাটা পার্টি। বিধায় এ নির্বাচনে ব্যাপক নাশকতার আশংকা রয়েছে।

গত দু’দিন ধরে ওইসব সন্ত্রাসীরা নির্বাচনী এলাকা মহড়া দিচ্ছে। অঘটন ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার একাধিক রাস্তা চিনে নিচ্ছে। অচেনা সন্ত্রাসীরা সন্ধ্যার পর গ্রামে গ্রামে ঢুকে প্রকাশ্যে টেবিলের উপর তাদের পছন্দের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে প্রকাশ্যে ভোট দেয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে।

এতে অনেক এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারন ভোটাররা অজানা আতংকে ভুগছে। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রার্থী ও সাধারন ভোটারদের ব্যাপক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে।

তা সত্বেও ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর প্রচার মাইক বন্দ করে দেয়া, প্রার্থীকে প্রচারে বাধা দেয়া, মারধর করা ও হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার মত একাধিক ঘটনা ঘটায় প্রার্থীদের অনেকেই আতংকিত হয়ে পড়েছেন।

এলাকার সচেতন মহল অনাকাংখিত নাশকতা এড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম জানান, কোন গুজবে কান না দিয়ে মানুষ যেন নিশ্চিন্তে ভোট দিতে যায়। অবাধ সুষ্ঠু ভোট করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। কোন সন্ত্রাসী গুন্ডা বাহিনীকে ছাড় দেয়া হবে না। ভোট কেন্দ্রে কোন অরাজকতা বরদাস্ত করা হবে না।

এমবি