দিনাজপুরে অনুমতি না নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও টাকার বিনিময়ে বিদেশগামীদের করোনা রিপোর্ট টেম্পারিং করার অভিযোগে ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গতকাল বুধবার (১৪ জুলাই) দিনাজপুরে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মাদ জিন্নাতুল ইসলাম।

আসামিরা হলেন- দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় মো. খোকন আলী, ল্যাব সহকারী
খন্দকার আশরাফুল আলম রয়েল ও অফিস সহকারী মো. মামুনুর রশিদ সরকার।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আসামিরা এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে করোনার নমুনা পরীক্ষা কেন্দ্রে (ফ্লু কর্নার) কর্মরত ছিলেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই গত দেড় মাস যাবৎ হাসপাতাল বুথ এবং বাইরে থেকে ভিটিএম টিউব সংগ্রহ করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ সংগ্রহ শুরু করেন।

বাড়তি অর্থ আদায়ের মাধ্যমে করোনা রিপোর্ট পজিটিভ কিংবা নেগেটিভ করার অসৎ উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করেন।

তারা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে ভুয়া নাম নিবন্ধন করে হাসপাতাল থেকে করোনার নমুনা সংগ্রহের কিট উত্তোলন করতেন। সেই কিট দিয়ে করোনার উপসর্গ আছে এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নমুনা সংগ্রহ করতেন। বিনিময়ে রোগীর থেকে আদায় করা হতো ১- ২ হাজার টাকা।

আরও জানা যায়, বিদেশগামী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে করোনা রিপোর্ট টেম্পারিং করে ১ দিনে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট কে নেগেটিভ করে সরবরাহ করতো।

এসব অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

এইচএন